বিভিন্ন দেশের গেরিলা ও সশস্ত্র সংগঠন

আইএস – সিরিয়া:
জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার পাশাপাশি ইসলামিক স্টেট (আইএস) বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠন। শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)। এর প্রতিষ্ঠা হয় ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে। পরে এর নাম পরিবর্তন করে আইএস রাখা হয়। আইএসের নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি।

এলটিটিই – শ্রীলংকা:
শ্রীলঙ্কার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী, উগ্র গেরিলাসংগঠন। তারা শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করে উত্তর এবং পূর্বাংশ নিয়ে পৃথক ও স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে যা শ্রীলঙ্কায় তামিল ইলম নামে পরিচিত। এছাড়াও, এলটিটিই তামিল টাইগার্স নামে সর্বসমক্ষে পরিচিত হয়ে আসছে। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মে, ১৯৭৬ সালে। এর প্রধান ছিলেন ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ, যিনি ১৮ মে, ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার সামরিক বাহিনীর সাথে যুদ্ধরত অবস্থায় নিহত হন।উল্লেখযোগ্য আক্রমণের মধ্যে রয়েছে অরন্থালয়া গণহত্যা, অনুরাধাপুরা গণহত্যা , কত্তানকুদি মসজিদে গণহত্যা,
কেবিথিগোলেয়া গণহত্যা, এবং দেহিওয়ালা গাড়ীতে বোমা হামলা অন্যতম।
** তালেবান ঃ
আফগানিস্তান: তালিবান (পশতু ভাষায়: طالبان, তালেবান-ও ব্যবহৃত হয়) সুন্নি ইসলামী এবং পশতুন জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে এই আন্দোলনের নেতারা ক্ষমতাসীন ছিলেন। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং ন্যাটো দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেদেশে তালিবান শাসনের অবসান ঘটানো হয়, তালিবান নেতারা অনেকেই বন্দী হন, বাকিরা পালিয়ে যান। “তালিবান” শব্দের অর্থ “ছাত্র”। বর্তমানেও দৃঢ় চেতনার অধিকারী তালিবান সমর্থকেরা পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের উপজাতীয় অঞ্চলে ক্ষমতাসীন আফগান সরকার, অপারেশন এন্ডিউরিং ফ্রিডম-এ অংশগ্রহণকারী ন্যাটো সৈন্যবাহিনী এবং ন্যাটো পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্টেন্স ফোর্সের (আইএসএএফ) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
** লস্কর ই তৈয়বাঃ
লস্কর-ই- তৈয়বা (উর্দু: لشکرطیبہ‎‎ [ˈləʃkər eː ˈt̪ɛːjbaː]; অর্থে মঙ্গলের সৈন্য অনুবাদ অর্থে ন্যায়নিষ্ঠার সৈন্য, অথবা নিষ্পাপ সৈন্য)। এছাড়া লস্কর-ই-তাইয়েবা, লস্কর-ই-তাইয়িবা দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অন্যতম বৃহত্তম সন্ত্রাসী দল। ১৯৯০ সালে হাফেজ মোহাম্মদ সাঈদ, আবদুল্লাহ ইউসুফ আজমও জাফর ইকবাল আফগানিস্তানে লস্কর-ই-তৈয়বা প্রতিষ্ঠা করেন । পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরের নিকটে মুরিদকে নামক জায়গায় এর সদর অবস্থিত।এই দলটি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিভিন্ন ক্যাম্প চালনা করে।

তেহরিক ই তালেবান:
পাকিস্তান নাইন-ইলেভেনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যখন আফগানিস্তানে হমলা শুরু করে তখন বায়তুল্লাহ মেহসুদ ২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিবদমান কিছু দলকে একত্রিত করে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে গঠন করেন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান। পরবর্তী সময়ে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে শরিয়া আইন চালুর দাবিতে মেহসুদের নেতৃত্বে তালেবানরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। পাকিস্তান এবং তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেহসুদের বাহিনীকে আল কায়দার অংশ হিসেবে জঙ্গি গোষ্ঠী আখ্যায়িত করে।


** হিজবুল্লাহ – লেবানন হিজবুল্লাহ হচ্ছে লেবানন ভিত্তিক একটি সশস্ত্র সংগঠন। ফিলিস্তিন ভিত্তিক হামাস যেভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়ছে, লেবানন ভিত্তিক হিজবুল্লাহও একই ভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়ছে। তবে হামাসের চেয়ে হিজবুল্লাহ এর আকার, ক্ষমতা এবং ব্যাপ্তি অনেক বড় এবং শক্তিশালী। লেবানন ছাড়াও আরো কিছু দেশে হিজবুল্লাহের শাখা রয়েছে। হিজবুল্লাহ এর উৎপত্তি ১৯৭৫ সালে। ১৯৮২ সালে প্রথমবার লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদের যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে দেখা যায়। আনুষ্ঠানিকভাবে হিজবুল্লাহ আত্মপ্রকাশ করে ১৯৯২ সালে। হিজবুল্লাহ এর বার্ষিক সামরিক বাজেট ১.৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

** মাওবাদী – নেপাল:
মাওবাদ শব্দটি মূলত চীনের বিপ্লবী নেতা মাও-সেতুং এর সাথে জড়িত। মার্ক্সবাদ বা লেনিনবাদের মত মাও-সেতুং এর সামাজিক ও রাজনৈতিক চিন্তাধারাই মাওবাদ নামে পরিচিত আর এই মতাদর্শের অনুসারীবৃন্দকেই বলা হয় মাওবাদী হিসেবে। ১৯৫০-৬০ এর বছর গুলোতে এটি বিকশিত হয় এবং একটি রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মাওবাদ এর অনুসারীরা তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র হাতে তুলে নেয় এবং তা সশস্ত্র মাওবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়। মাওবাদী আন্দোলনে জড়িত ব্যক্তিরা ভূমি ও ভৌগোলিক সুবিধা যেমনঃ পাহাড়,জঙ্গল, জলাভূমি ইত্যাদি ব্যবহার করে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে তাদের আক্রমণ পরিচালনা করে থাকে। শত্রুপক্ষকে আক্রমণের ক্ষেত্রে গেরিলা পদ্ধতি অনুসরণ করে বলে আন্দোলনকারীরা মাওবাদী গেরিলা বা মাওবাদী বিদ্রোহী নামে পরিচিতি পায়।

** জেইএম – সুদান সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল দাফুর। ২০০৩ সালে সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট (এসএলএম) এবং জাস্টিস অ্যান্ড ইকুয়িটি মুভমেন্ট (জেইএম) স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই শুরু করলে এই সংঘটনটি জনপ্রিয়তা পায় ।

আল-শাবাব:
এটী মূলত আফ্রিকার শিঙ হিসেবে খ্যাত সোমালিয়ার জঙ্গি সংগঠন। এদের উদ্দেশ্য সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু ২০১১ সাল থেকে তারা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র কেনিয়াতেও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। ২০১৩ সালে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে একটি শপিং কমপ্লেক্সে আল-শাবাবের হামলায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। আল-শাবাবের ক্ষোভ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রতিও। ২০১৫ সালের এপ্রিলে কেনিয়ার গারিসা শহরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গি সংগঠনটির ভয়াবহ হামলায় নিহত হন কমপক্ষে ১৪৭ জন।

বোকো হারাম:
এটি নাইজেরিয়ার উগ্রপন্থী দল। পশ্চিম আফ্রিকায় প্রথমে গঠিত হয় জামাত আহলে সুন্নাহ লিদ দাওয়াহ ওয়াল জিহাদ, এটিই কিছুদিন পর ‘বোকো হারাম’ নামে পরিচিতি হয়। এদের মূল বক্তব্য হলো, পশ্চিমা শিক্ষা-সংস্কৃতি নিষিদ্ধ বা হারাম। নাইজেরিয়া, শাদ, নাইজার ও উত্তর ক্যামেরুনে তাদের হাজার হাজার সদস্য রয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে বোকো হারাম আইএস-এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়লেও এখন তাদের সাথে সংযোগ নেই। বোকো হারামের আগ্রাসী তৎপরতায় ২২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অনেকে মনে করেন, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকায় তৎপর, আলকায়দার সাথে বোকো হারামের সম্পর্ক রয়েছে।
ইনোসিস – সাইপ্রাস সাইপ্রাসকে গ্রীসের সাথে যুক্তকরণের আন্দোলনের নাম ইনোসিস।গ্রিসের মদদপুষ্ট সামরিকজান্তা ক্ষমতায় বসলে ১৯৭৪ সালে তুরস্ক সাইপ্রাসে সারকি অভিযান চালায়।সাইপ্রাস তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে বিবাদের কারন এটি ।

** আবু সায়াফ, এমএনএলএফ – ফিলিপাইন:
স্বাধীনতাকামী আবু সায়াফ গেরিলা গোষ্ঠী ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশের বাসিন্দা ।তারা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মিন্দানাও প্রদেশে একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় লড়াইয়ে রত। তাদের নেতার নাম নূর মিসেৌরি ।
** আরাকান আর্মি:
আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবি তুলে প্রায় এক দশক আগে শুরু হয় সাংগঠনিক উদ্যোগ। নিজেদের ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে সামনে আনতে চায় রাখাইন নৃগোষ্ঠীর (আরাকানি) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এই সংগঠন। ২৬ জন পুরুষকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয় আরাকান আর্মির।

*উলফা, ইউএলএফ:
ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা) (অসমীয়া: সংযুক্ত মুক্তি বাহিনী, অসম) হল উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য সংগঠনের মত আসামের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। যারা ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে সশস্ত্র লড়াই করছে। ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যখন মার্কিন সরকারের স্টেটস ডিপার্টমেন্ট সংগঠনটিকে “দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন এমন সংগঠনের” তালিকাভুক্ত করেছে।

** এলআরএ – উগান্ডা: সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে উগান্ডার সাধারণ মানুষ। ইউপিডিএফ এইসব অমানবিক কর্মকাণ্ডের কবল থেকে রক্ষা করে সাধারণ মানুষকে সুন্দর জীবনের আহ্বান দিয়েই যাত্রা শুরু করে লর্ডস রেসিস্ট্যান্স আর্মি বা এলআরএ নামের গেরিলা দলটি। খ্রিস্টান সামন্তবাদ, আধ্যাত্মবাদ ও অতীত আফ্রিকান দেশপ্রেম নিয়েই ১৯৮৭ সালে যাত্রা শুরু এই গেরিলা দলটির। লর্ডস রেসিস্ট্যান্স আর্মি দলটির মূল নেতা জোসেফ কোনি।
** এম ১৯,কলম্বিয়া:
কলম্বিয়াকে বলা হয় গেরিলা বাহিনীর স্বর্গরাজ্য। ল্যাতিন আমেরিকাসহ পৃথিবীর অন্যকোনো দেশে এতগুলো সক্রিয় গেরিলা সংগঠন নেই। এম নাইটিন (এম-১৯) বা নাইনটিনথ এপ্রিল অব মুভমেন্ট কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম গেরিলা সংগঠন। ইউনাইটেড স্টেটস ব্যুরো অব সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসবিসিআইএস) প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ফার্কের সঙ্গে মতাদর্শের বিরোধের কারণে জেমি ব্যাটম্যান ও কার্লোস পিজারো নামের দুজন গেরিলা ফার্ক থেকে বেরিয়ে ১৯৭২ সালে গেরিলা এম-১৯ গঠন করে। তবে এর নামকরণ করা হয় ১৯৭০ সালের ১৯ এপ্রিল প্রতারনায় ভরপুর ও ভোট চুরির যে নির্বাচন হয়েছিল, সেই তারিখকে স্মরণ করে ।

**ফার্ক –কলম্বিয়া:
কলম্বিয়া দেশটির ইতিহাস তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মতোই রক্তাক্ত এবং সংগ্রামের কাহিনীতে ভরপুর। এমনই একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী হলো রেভোল্যুশনারি আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া (স্প্যানিশ- ফুয়েরখাস আরমাদাস রেভ্যোলুশিওনারিয়াস দে কলম্বিয়া) বা ফার্ক। সেই ষাটের দশক থেকে ৫৩টা বছর ধরে কলম্বিয়াতে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে ফার্ক বিদ্রোহীরা। কখনো সমাজতন্ত্রের জন্য তো কখনো স্রেফ নিজেদের অস্তিত্বটা টিকিয়ে রাখবার তাগিদে। ২০১৭ সালের ২৭ জুন, দীর্ঘ তিপ্পান্ন বছরের রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের যতি টেনে ফার্ক গেরিলারা অস্ত্র সমর্পণ করে।

**হামাস:
হামাস (আরবি: حماس‎‎ (আরবি: حماس হামাস, “উদ্দীপনা”, حركة المقاومة الاسلامية হারাকাত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া, “ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন” এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ) হল ফিলিস্তিনি সুন্নি ইসলামী বা ইসলামী রাজনৈতিক দল যে গাজা স্ট্রিপ নিয়ন্ত্রণ করে। হামাসের ইজ্ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেড নামে একটি সামরিক শাখা আছে। জানুয়ারী ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনি পার্লামেন্ট সংসদীয় নির্বাচনে অধিকাংশ আসন জিতে,জুন ২০০৭ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিন অঞ্চলের গাজা ভূখণ্ড পরিচালিত করছে এবং তারপর সহিংস সংঘাতের মাধ্যমে ফাতাহ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে পরাজিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা, ইস্রায়েল এবং জাপান হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

**আল ফাতাহ:
ফাতাহ (আরবি: فتح‎‎) ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে ১৯৫৯ সালে গঠিত দল। মাহমুদ আব্বাস, সালাহ খালাফ, খালিল আল ওয়াজির, আহমদ শাকির, নায়েফ হাওয়াতমেহ এবং আবদুল মোহসেন আবু মাইজার দলটির প্রথম প্রজন্মের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা।ফাতাহ নিজ অস্তিত্বের কথা ঘোষণা করে ১৯৬৫ সনে। মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুন নাসেরের অনুরোধে ওই ঘোষণা দেয় ফাতাহ। ২০০৪ সালের ১১ ই নভেম্বর ইয়াসির আরাফাতের রহস্যজনক মৃত্যুর পর স্বশাসন কর্তৃপক্ষের রাজনৈতিক সংগ্রাম দূর্বল হয়ে পড়ে।

আইআরএ – আয়ারল্যান্ড:
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি ( আইআরএ ) (আইরিশ: Óglaigh na hÉireann ) ছিল একটি আইরিশ প্রজাতন্ত্র বিপ্লবী আধা সামরিক সংস্থা। অনেকগুলি দলের পূর্বপুরুষের নাম আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি নামেও পরিচিত, এটি ২5 নভেম্বর 1913 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

** রেড আর্মি:
-জাপান জাপানি লাল সেনা (Japanese Red Army (日本赤軍 Nihon Sekigun, JRA)) হচ্ছে ১৯৭১-এর প্রথমদিকে ফুসাকো শিগেনোবু দ্বারা লেবাননে গঠিত একটি সামরিক গ্রুপ।

//কোন সাজেশান থাকলে কমেন্টে জানাবেন ।
সুত্রঃ ১। বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহিত সম্পাদিত একটি লিখা। //

মুহাম্মদ ইরফান উদ্দীন
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা
৩৭ তম বিসিএস নন-ক্যাডার

Share :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!