বিসিএস প্রস্ততিঃভাষা আন্দোলন

সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

ভাষা আন্দোলন বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন। ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। স্বাধীনতার পরপরই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।

ভাষাসংক্রান্ত এই দাবিকে সামনে রেখে সর্বপ্রথম আন্দোলন সংগঠিত করে তমদ্দুন মজলিস। এর নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম । পুর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এ প্রস্তাবে সংশোধনী এনে বাংলাকেও পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান।১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। তিনি ঢাকার দুটি সভায় বক্তৃতা দেন এবং দুই জায়গাতেই তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে উপেক্ষা করে একমাত্র উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন। এ সময় সারা পূর্ব পাকিস্তানেই ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। জিন্নাহর বক্তব্য তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ে। ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়; এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে। কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু। এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি ( একুশে ফেব্রুয়ারি) সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।এসব কর্মসূচির আয়োজন চলার সময় সরকার ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে সমাবেশ-শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের (১৯০৫-৭৪) সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়। ১৪৪ ধারা অমান্য করা হবে কিনা এ প্রশ্নে সভায় দ্বিমত দেখা দেয় তবে ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার সঙ্কল্পে অটুট থাকে।

পরদিন সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাংশে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রদের সভা হয়। সভা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকসহ উপাচার্য ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার জন্য ছাত্রদের অনুরোধ করেন। তবে ছাত্র নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে আবদুল মতিন এবং গাজীউল হক নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। ঢাকা শহরের স্কুল-কলেজের হাজার হাজার ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয়। ছাত্ররা পাঁচ-সাতজন করে ছোট ছোট দলে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসলে পুলিশ তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করে, ছাত্রীরাও এ আক্রমন থেকে রেহাই পায়নি। ছাত্রছাত্রীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সামলাতে ব্যর্থ হয়ে গণপরিষদ ভবনের দিকে অগ্রসররত মিছিলের উপর পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জববার, আবুল বরকত (রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শ্রেণীর ছাত্র) নিহত হয়। বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাঁদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম মারা যায়। অহিউল্লাহ্ নামে আট/নয় বছরের এক কিশোরও সেদিন নিহত হয়।

পাকিস্তানের বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষায় স্বীকৃতি———————১৯৫৪ সালের ৭ মে মুসলিম লীগের সমর্থনে বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। সংবিধানের ২১৪(১) অধ্যায়ে রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে লেখা হয়:

214.(1) The state language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.[২১৪. (১) উর্দু এবং বাংলা হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।]

যদিও আইয়ুব খানের প্রতিষ্ঠিত সামরিক সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিল; ১৯৫৯ সালের ৬ জানুয়ারি সামরিক শাসকগোষ্ঠী এক সরকারি বিবৃতি জারি করে এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানে উল্লেখিত দুই রাষ্ট্র ভাষার উপর সরকারি অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে।

১৯৫২ সালের পর থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালিদের সেই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে দিনটি উদযাপন করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনকে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে।

কিছু গুরুত্বপুর্ন প্রশ্নঃ

১.ভাষা আন্দোলেনের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় ছিলেন
–জেলে
২। একুশে পদকের কত সালে প্রবর্তন করা হয় ?
– ১৯৭৬

৩.’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি|’এ গানের গীতিকার কে?
-আব্দুল গাফফার চৌধুরী
৪.’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি|’এ গানের ১ম সুরকার কে?
-আব্দুল লতিফ
৫.আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি|গানটির বর্তমান সুরকার
– > আলতাফ মাহমুদ

৬.’সালাম সালাম হাজার সালাম ‘ এই গানটির গীতিকার কে?
–ফজল এ খোদা

৭.’সালাম সালাম হাজার সালাম ‘ এই গানটির সুরকার ও শিল্পী কে?
–আ: জব্বার
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায় .. গানটির গীতিকার কে?
– আব্দুল লতিফ

৮.ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
–আরেক ফাল্গুন
৯. ভাষা আন্দোলন বিষয়ক নাটক “কবর ” লিখেছেন> মুনীর চৌধুরী
১০.“কবর ” নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় কবে?
—২১ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
১১.স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকেটে কোন ছবি ছিল?
—শহীদ মিনার
১২.দেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয্ কোথায্?
—জাপান
১৩.ভাষা আন্দোলনের ফলে কোন প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি হয়েছিল?
—বাংলা একাডেমী(১৯৫৫সালে ৩ ডি:)
১৪.ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র কোন পত্রিকা?
–সাপ্তাহিক সৈনিক
১৫. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
— নুরুল আমিন । পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দিন ।
১৬.১ম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন কে?
শহীদ শফিউরের পিতা
১৭.’তমুদ্দিন মজলিস’ কত সালে জন্ম লাভ করে?
১৯৪৭ সালের সেপ্ট:
সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কেন্দ্রীয় পরিষদ সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কবে গঠিত হয়
৩১জানুয়ারী ১৯৫২সালে।
১৮.বাংলা ভাষা তৎকালীন পাকিস্তান সংবিধানে কত সালে গৃহীত হয় ?
-১৯৫৬সালে

১৯.কতো তারিখে “রাষ্ট্রভাষা দিবস” ছিল?
–২১ফেব্রুয়ারী,১৯৫২
২০.কেন্দ্রীয্ শহীদ মিনারের স্হপতি কে?
হামিদুর রহমান
২১. ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য কতজন শহিদ হন ? : ৪ জন।
২১ ফেব্রুয়ারি : রফিক,বরকত,জব্বার & আব্দুল সালাম।
২২ ফেব্রুয়ারি : শফিউর,আব্দুল আউয়াল, অহিউল্লাহ & অজ্ঞাত একজন।
সর্বমোট শহিদ হন ৮ জন । উইকি পিডিয়াতে ৯ জন আছে।
২২.রাষ্ট্র ভাষা বংলা চাই এর প্রথম প্রস্তাবক কে ?
—দীরেন্দ্র নাথ দত্ত১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারী তারিখে পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজী ও উর্দুর পাশাপাশি সদস্যদের বাংলায় বক্তৃতা প্রদান এবং সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
২৩.জাতীয় শহীদ মিনারের প্রতীকটি কি প্রকাশ করে ?
–মা তার সন্তানের মাতৃ ভাষার গল্প শুনাচ্ছে
২৪.ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ – এই গানটির গীতিকার কে?
–আব্দুল লতিফ
২৫.ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ – এই গানটির সুরকার কে?
—আব্দুল লতিফ
২৬.১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কি বার ছিল?
— বৃহস্পতিবার

২৭.”এখানে যারা প্রান দিয়াছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসি নি” – এর রচিয়তা –
মাহবুব আলম চৌধুরী
২৮.কাঁদতে আসি নি,ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি” কবিতাটি লিখেছেন> মাহবুব আলম চৌধুরী
২৯.সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়?
১৯৫২ সালে
৩০.১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা সনের কত তারিখ ছিল?
৮ ফাল্গুন ১৩৫৮
৩১.কোন দেশের দ্বিতীয় মাতৃভাষা বাংলা?
—-সিয়েরা লিওন

৩২.জাতীয় শহীদ মিনারের আয়তন ১৫০০ বর্গ ফিট বা ১৪০ বর্গ মিটার,উচ্চতা ৪৬ফিট বা ১৪ মিটার । স্থপতি হামিদুর রহমান (সহকারী ছিলেন নভেরা আহমেদ)
.
৩৩.জাতীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন বরকতের মা হাসিনা বেগম ,১৯৬৩ সালের ২১ফেব্রুয়ারি।(প্রথম ঢাকার প্রথম শহীদ মিনার প্রথম উদ্ধোধন করেন শহীদ সফিউরের বাবা, )

৩৪.ইউনেস্কো কত তারিখে ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তরজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ । ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে । বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের সমর্থন নিয়ে সর্বসম্মতভাবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

৩৫.২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তরজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ১ম কয়টি দেশ পালন করে?
—>১৮৮টি(২০০০সালে)
৩৬.একুশের ১ম সংকলন করেন কে?
–>হাসান হাফিজুর রহমান
৩৭.“মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা” – কবিতাটি কে লিখেছেন?
— অতুল প্রসাদ সেন
৩৮.বাংলা একাডেমির চত্তরের মুরাল হল
—>“মোদের গরব
৩৯.১ম-এ বাংলাদেশের বাইরে কোথায় বাংলা ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়?
>কানাডার টরেন্টো ইউনিভার্সিটিতে
৪০.কুমড়ো ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা শীর্ষক কবিতাটি লিখেছেন
—-> আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
৪১. ফেব্রুয়ারী একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে , বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত । কবিতাটির লেখক কে?
– আল মাহমুদ।

৪২.-একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ হয়েছিলেন ৮জন-রফিক,বরকত,সালাম,শফিউর,জব্বার,আওয়াল,অলিউল্যাহ ও একজন অজ্ঞাতনামা বালক

৪৩.ভাযা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা :
—————————–
.
১. কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি= মাহবুবুল আলম চৌধুরী
২. ওড়া আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়= আব্দুল লতিফ
৩. কোন এক মাকে= আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
৪. স্মৃতিস্তম্ভ = আলাউদ্দীন আল আজাদ
৫. বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা= শামসুর রাহমান
.
৪৪. ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক উপন্যাস
জহির রায়হানের >> আরেক ফাগুন , একুশে ফেব্রুয়ারি
শওকত ওসমানের >>> আর্তনাদ,
সেলিনা হোসেনের >>>> নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি ও যাপিত জীবন
.
৪৫.ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গল্প
———————–
জহির রায়হানের >>>> (একুশের গল্প),
শওকত ওসমান >>>> (মৌন নয়),
সাইয়িদ আতীকুল্লাহ >>>> (হাসি),
আনিসুজ্জামান >>>>> (দৃষ্টি),
সিরাজুল ইসলাম >>>> (পলিমাটি)
আতোয়ার রহমান >>>>> (অগ্নিবাক)।
. সৈয়দ শামসুল হকের >>> (আরো একজন),
নাসরীন জাহানের >>>> (বিবরবাসী) ও
পারভেজ হোসেনের >>>>> (মানুষের মুখ)
..
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক ১ম চলচ্চিত্র
——————————–
– জীবন থেকে নেয়া (জহির রায়হান) । এখানেই প্রথম আমার সোনার বাংলা গানটি ব্যবহৃত হয ।
৪৪.বাংলা বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন শামসুজ্জামান খান
বর্তমান সভাপতি >> প্রফে. ড. আনিসুজ্জামান
৪৫. বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক
–প্রফেসর মযহারুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট,
—————————————
ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত, বিশ্ব ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ভবনের পাশেই
২০০১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের উপস্থিতিতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন। ৭০টি ভাষা গবেষণা ও চর্চা করার সুযোগ আছে এখানে।
ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সাইন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অরগানাইজেশন-ইউনেস্কোর দ্বিতীয় ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট।

Share :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!